অতনু বন্দ্যোপাধ্যায়
সাইবার
এক।
কিছু ভালবাসার উপশম চাই।
নেহাত বর্ষাতি
নেই তাই নিজেকে ঢাকতে
পারিনা।
পারিনা চিহ্নহীন
একটা প্রসব তুলে ধরতে।
সকাল পাতিয়ে কোনো শিরোনাম হয় না।
হয়না বিকেল গুটিয়ে রাখা তোমার শরীরে তখন
ভুলে ভরা ইস্তাহারের
যাবতীয়।
পাখি যদি বলি
তাহলে লিখতে হয় মদ
এখনো সাবাস
হলে ভুলে যাওয়া যতটুকু পাতা
সেখানেই লিপি
আর স্বরলিপি মূলত প্রস্তাব
নাইবা রেখে
আসা।
আমরা ব্যভিচার জানি। মাতাল মেয়েটাকেও।
শুধু আচার
রাখিনা বিচারের পাশে। তোমাকেও
রাখিনা দেখ আমার খুলে খুলে
রাখায় ।
শব্দ নেই। শব্দ হচ্ছে না। তাকালেই
ভালবাসা। এবার
উপশম
চাই।
দুই।
বরাত ভাল কেউ বলে দিলেই সাইবারে সমস্ত রিও যখন বার হয়ে যায়
আমি তার নিয়ন
নিয়ে কিছুই ভাবিনা। জানি না মৃদু কিভাবে
মসৃণ হয়
দূর থেকে
আমাকেই জানায় আবার ভাল থাকা।
এভাবেই ওয়াল
আর জুই একটা প্রথা। মানতেই হবে মৃত্যু সুন্দর করে। পর্দা সরিয়ে
আর জুই একটা প্রথা। মানতেই হবে মৃত্যু সুন্দর করে। পর্দা সরিয়ে
তিন।
আমি তো আদপে নির্বিচার আমি এই জোহান থেকে জিজ্ঞাসা নিয়ে IN TO THE WILD
ভাবো যে ঋণ কাল পাখির
আলয়ে
তাকে তো ছুতেই
পারেনা এই শহর আর পয়সা
না পেলে।
পায়ে পায়ে
মিটে যাচ্ছে জেহাদ।
সবাই যখন ফিরে
যাবো পাদ্রিপাড়ায়।
সোনার রায়কতে রাখা মন।
মনের
কিছুটা যেন পড়ে আছে ...... মুছে ফেলা নোটিশ ভনিতায়
চার।
ক্রিসপি
লাগছে এই ওয়াল যেন আলো ফেলে নোনতা মাখানোর দিন।
কেউ এসে
বলে গেল এত যে বই-এর বয়েস তাকেতো দেখিনি কখনো
রুমালের
রতি ভেঙে ওড়ানো চোখের কোনে শীত সেকে নিতে।
শুধুইতো
ট্যুইট আর ট্যাটুতেই মেপে মেপে সারেগামা সাধা।
টুকরো
রোদ শুকিয়ে নিচ্ছে ছবিগুলি। এখানেও সবুজ যেন রাতের ইশারা।
পুরোনো
মদ সেই গান গাইছে।
তবু ভাল
জলের
আসেপাশে ক্রমশ সংলাপ।রাতারাতি ডিলিট।
সকাল
বিকেল
দুপুর
আর
ড্রয়ার
খুলে বেরিয়ে আসা এইসব বুকের কার্তুজ।
মুখোমুখি
এলসিডি
গুড়িয়ে দেখ চলে যাচ্ছে তোমার আমারই সেই প্রিয়জন
হারানো
সারেঙ্গীর দিকে
পাঁচ।
এত এত
সাইবার দাঁড়িয়ে আছে
আছে
টুংটাং সেই প্রাচীন অভ্যাসও
হাত
থাকলে তার পাও ছিল এমন
মৃত্যু
লেখা নেই রঙের রাংতায়।
দৃশ্য বড়
দরত্বের সাধনা।
স্বতঃস্ফূর্ত
বিস্তার এই জোয়ারের হাততালি।
আমরা
চমৎকার হয়ে উঠছি। ভূমিকা না করেই স্পস্ট সন্ত্রাসে
কোমর
থেকে নামিয়েছি বসন্ত।
এখানে
অঙ্কের ক্লাস হয়।
দিদিমনিরা
যোগ-বিয়োগ শেখান শূন্য ভাষাতে।
দেখ
প্রেমিক পাখা মেলে এলো কেশের সেই গোপন ডেরায়।
মাটিতে
অ্যান্ড্রয়েড কিম্বা গুদামের শিস থেকে অলীক মধ্যরাত।
চলো
কান্না করি দরজা গুলোকে। রেণু করি পায়ের দূরত্ব।
পথের
মানচিত্রে যে কিছু পাঠক
তুলি আর
লেগশিপ
তাদের
লাইকে যেন ডুবে যায় আগুন
চারণ দাহ
করে